লামায় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও হেডম্যান দুই প্রভাবশালীর জিম্মি দশায় ওয়ারিশ ও মৃত্যু সনদ ভুক্তভোগী পরিবারের (আর্তনাদ)

মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক স্টাফ (রিপোর্টার)
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় পার্বত্য বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় ওয়ারিশ সনদ প্রদান না করে হয়রানি ও কালক্ষেপণের অভিযোগ উঠেছে ৬ নম্বর রূপসীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও মৌজার হেডম্যানের মংসাইন থুই মার্মা বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন পিংকিনু মার্মা)
অভিযোগে পিংকিনু মার্মা উল্লেখ করেন, লামা উপজেলার স্থায়ী বাসিন্দা। তার পিতার পৌতৃক মৃত মংফোচিংমার্মা, দাদা মৃত চাইগ প্রু মার্মা এবং প্রপিতামহ মৃত অংগ্যজাই মার্মা। পারিবারিকভাবে তারা সম্পত্তির ওয়ারিশ মর্মে দাবি করে আসছেন।
ভুক্তভোগী পিংকিনু মার্মা জানান, ওয়ারিশ সনদ পাওয়ার জন্য তিনি ৬ নং রূপসীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ এবং ২৯৪ নং দরদরী মৌজার হেডম্যান কার্যালয়ে আবেদন করেন। তবে ওয়ারিশ সনদ না দিয়ে বিভিন্নভাবে কালক্ষেপণ ও হয়রানি করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। এদিকে ভুক্তভোগী কিশোরী নৌ মুসলিম নারীর প্রতি অন্যায় ভাবে দুই প্রভাবশালী প্রস্পর যোগসাজশে একৈই সূত্রে যুক্ত হয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের কে বিভিন্ন রসানলে জিম্মি করে রাষ্ট্রের প্রাপ্য অধিকার বঞ্চিত করা হয়েছে গায়ের জোরে আইন আদালত এবং প্রসাশন কে তুচ্ছ মনে করে তুচ্ছ মনে করেন অভিযুক্তরা বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বিস্তারিত সূত্র গুলো) অভিযোগ আরও বলা হয়, বিষয়টি নিয়ে তিনি লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউনো কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন। পরবর্তীতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উভয় পক্ষের একাধিকবার শুনানি হয় এ সময় প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র যাচাই-বাছাই করে ওয়ারিশ সনদ দেওয়ার কথা বলা হলেও অভিযোগকারীর দাবি, এরপরও সনদ প্রদান করা হয়নি।
এতে তিনি ওয়ারিশ সনদ না পাওয়ায় বিভিন্ন ভোগান্তির শিকার হয়ে প্রশাসনিক ও পারিবারিক কাজে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন। তাই বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাকে ওয়ারিশ সনদ পাওয়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
আবেদনের অনুলিপি বিভাগীয় কমিশনার, স্থানীয় সরকার, পুলিশ সুপার, লামা সার্কেল কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. শাহ আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মৃত্যু সনদ ও ওয়ারিশ সনদ প্রদান না দেয়ার কথা নিজে স্বীকার করেন। কেন সনদ দেওয়া হয়নি, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি)
এদিকে আরেক অভিযুক্ত মংসাইন থুই মার্মা হেডম্যান ২৯৪ নং দরদরী মৌজা কে প্রশ্ন করায় ক্ষিপ্ত হয়ে গনমাধ্যম কে প্রতিপক্ষ বলে আখ্যায়িত করেন এবং তার বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার বাসায় গেলে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে টের পেয়ে তিনি স্থান ত্যাগ করে চলে যান এরপর মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে তার বক্তব্য পাওয়া (যায়নি)
এদিকে অনুসন্ধানে দেখা যায় ভুক্তভোগী পরিবারের পিতার পৌতৃক সম্পত্তি অভিযুক্তরা নিজেদের দখলে নিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের কে ভুগান্তিতে পেলেছেন এবং অভিযুক্তরা স্থানীয় এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি হওয়ায় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ গুলো প্রশাসন কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া যায় দুই প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলমান পরবর্তী নিউজে চুখ রাখুন আসছে বিস্তারিত।


