ওয়াশিংটন, ইয়াঙ্গুন ও ইউরোপভিত্তিক ডজনের ওপর কূটনীতিক ও সরকারি কর্মকর্তার কথায় মিয়ানমারের শীর্ষ জেনারেলদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে অনেকগুলো বিষয় নিয়ে ভাবনার কথা উঠে এসেছে বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থাটি বলছে, এ বিষয়ে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ওয়াশিংটন ও ব্রাসেলস এজন্য আরও কিছু দিন সময় নিতে পারে। রাখাইনে সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সহায়তা বাড়ানোরও আলোচনা চলছে।

এক মাস আগেও মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি আলোচনায় ছিল না জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, এতেই প্রমাণিত হয় মিয়ানমারে ঘর-বাড়ি ছেড়ে রোহিঙ্গাদের পালিয়ে যাওয়া পশ্চিমা নীতিনির্ধারকদের কতোটা চাপে ফেলেছে।

পটুয়াখালীতে নৌকা বাইচ

  আরো সংবাদ