চট্টগ্রাম, শনিবার, ২১ মে ২০২২ , ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

বেড়েছে ঋণসহায়তা, জমে আছে অলস অর্থ

প্রকাশ: ৩০ মার্চ, ২০২২ ৭:১২ : পূর্বাহ্ণ

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) তথ্যমতে, উন্নয়নসহযোগীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতির ৫০ দশমিক ৩ বিলিয়ন (৫ হাজার ৩০ কোটি) ডলার এখনো অব্যবহৃত অবস্থায়, অর্থাৎ ছাড়ের অপেক্ষায় আছে, বর্তমান বিনিময় হার অনুযায়ী যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ।
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, প্রতিশ্রুতির এ অর্থ পাওয়ার ব্যাপারে বিভিন্ন সময়ে প্রকল্পের বিপরীতে উন্নয়নসহযোগী দেশ ও সংস্থার সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ঋণচুক্তি সই হয়েছিল। কিন্তু সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ বিদেশি ঋণের টাকা খরচ করতে পারছে না বলে বিদেশি প্রতিশ্রুতির অর্থ পুরোপুরি ছাড় করা যায়নি। মজার ব্যাপার হচ্ছে জমে থাকা অলস অর্থ দিয়ে কমপক্ষে ১৫টি পদ্মা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব।

এ ব্যাপারে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, তিন বছরের প্রকল্প বাস্তবায়নে সময় লাগে সাত থেকে আট বছর। সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন না হওয়াটাই সরকারের বড় দুর্বলতা। বিদেশি ঋণ যথাসময়ে ছাড় না হওয়ার পেছনে এটি একটি কারণ।
ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, ২০২০-২১ অর্থবছরে উন্নয়নসহযোগীদের কাছ থেকে ৭১০ কোটি ডলার ঋণসহায়তা পেয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ৭৩৮ কোটি ডলার বিদেশি ঋণ এসেছে।
পাঁচ বছর আগে বাংলাদেশ বিদেশি উৎস থেকে ঋণ পেত ৩০০ থেকে ৪০০ কোটি ডলার। করোনার কারণে বিদেশি ঋণের প্রবাহ অনেক বেড়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় চলতি অর্থবছরের আট মাসে জুলাই থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রেকর্ড পরিমাণ ঋণ এসেছে বলে ইআরডির কর্মকর্তারা জানান।

Print Friendly and PDF