বাজার-ত আলু আর কচু ছাড়া হন তরহারি সইত্তর টেয়ার কমে নাই। আড়াই‘শ টেয়া পইজ্জন্ত বেচের তরহারি। এডিল্লা ঠসা আঁর জীবনত ন দেহি। তয় হাইয়ুম কি। আলু আর কচু হায় শরীল-লান পঁচাই ফেলাইর, এই আর কি।

(অর্থাৎ- বাজারে আলু আর কচু ছাড়া সত্ত্বর টাকার নিচে কোন তরকারি নেই। আড়াই‘শ টাকা পর্যন্ত বিক্রী হচ্ছে তরকারি। এমন অবস্থা জীবনে দেখি নাই। তাই খাব কি। আলু আর কচু খায়-খায় শরীরটা নষ্ট করছি। এই আর কি।)

চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় এমনভাবে কথাগুলো বললেন সত্তরোর্ধ্ব বিধবা নারী রুপিয়া বেগম। অবিবাহিত এক কন্যা সাইমিকে নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর পাহাড়তলি এলাকায় স্বামীর তৈরী সেমিপাকা ঘরে বসবাস করেন তিনি।

গতকাল (৭ অক্টোবার) শনিবার নগরীর পাহাড়তলি বাজারে সবজি কেনার সময় কথা হয় তার সাথে। তিনি বলেন, বড় মেয়ে নাইমির (৩২) বিয়ে হয়ে গেছে। উপার্জনক্ষম বলতে ছোট মেয়ে সাইমি। পোশাক কারখানায় শ্রমিকের কাজ করে সে। মাসের শেষে ৯ হাজার টাকা বেতনে চলে দু‘জনের সংসার।

‘আলু-কচু হায় শরীল-লান পঁচাই ফেলাইর’